আবাসন সুবিধা নিশ্চিত না করেই চূড়ান্ত পরীক্ষার সিদ্ধান্তে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। গত ২১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬ তম একাডেমিক কাউন্সিলে স্নাতক শেষ বর্ষ এবং স্নাতকোত্তর সকল সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা আগামী বছর ৭ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি অকার্যকর ফি মওকুফ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও আবাসিক হল খোলার ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।
আর এতেই বিপাকে পড়েছে হাবিপ্রবির বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। কারণ স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের প্রায় সকল শিক্ষার্থী হলে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে হল না খুললে কয়েক মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে দিনাজপুর শহর অথবা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বাঁশেরহাটে মেস ভাড়া নিয়ে থাকতে হবে এসব হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের। এখন পরীক্ষার জন্য অধিকাংশ শিক্ষার্থী এক মাস চুক্তিতে মেসে থাকতে চাইলেও ছয় মাস চুক্তিতে মেসে অবস্থান করা ব্যতীত মেস ভাড়া দিতে চাচ্ছে না মেস মালিকরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ যেখানে এনরোলমেন্ট ফি দেওয়ার টাকা নেই, সেখানে এক মাস পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ছয় মাসের চুক্তিতে মেস ভাড়ার টাকা পাওয়াটা প্রায় অসম্ভব।
শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হল খুলে দেওয়া যায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম জানান, ‘স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ফাইনাল পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারে গত ১৩ ডিসেম্বর ইউজিসির সাথে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের যে বৈঠক হয়েছিলো, সেখানে ইউজিসি থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছিলো পরীক্ষা নিলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হল খুলতে পারবে না। আর এমনিতেও হল খুলে দিলে পরীক্ষার্থী ছাড়াও অনেকেই থাকতে চাইবে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদেরকেই ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে আবাসন সংকট নিরসন করতে হবে।’








