খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এক শিক্ষকসহ দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার ও দুই শিক্ষককে অপসারণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী প্রতিবাদ সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে খুবি প্রশাসনের দুর্নীতি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আয়োজকরা।
বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১২টা থেকে চবি শহিদ মিনার চত্বরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্ল্যাটফর্ম ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক’ এর ব্যানারে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় চবি সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মুক্তচিন্তার আধার। মুক্তচিন্তা ছাড়া কোনও সমাজ বিকশিত হতে পারে না। অথচ প্রতিবাদী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেভাবে সওয়ার হয়েছে, তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।’
বক্তারা খুবি উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনি অনেকজন আত্মীয়স্বজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দিয়েছেন, তিনটি ভবন নির্মাণে দুর্নীতি করেছেন। আজকের এই সমাবেশ থেকে আমরা আপনাকে শোকজ করতে চাই, আপনি কারণ দর্শাবেন কোন অধিকারবলে আপনি এসব করছেন।’
এসময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে চবি প্রশাসনের প্রতি শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইআর) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা অবিলম্বে নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এছাড়াও বক্তারা শাটল ট্রেন চালুর আগ পর্যন্ত বাস সার্ভিস চালু করার দাবিসহ মোবাইল ক্রয়ে ইউজিসির ঋণ ও ফ্রি ডাটা সংক্রান্ত অসঙ্গতির সমালোচনা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী দেওয়ান তাহমিদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী হ্লামিউ মারমা, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ মোহাম্মদ শিহাব, পালি বিভাগের সোহেল চাকমা, নাট্টকলা বিভাগের ঋজু লক্ষ্মী অবরোধ, লোকপ্রশাসন বিভাগের সুকি কুমার তঞ্চঙ্গ্যা ও চট্টগ্রাম মহানগরের রাজনৈতিক কর্মী দীপা মজুমদার।









