আজ ১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো দেশ উদযাপন করছে দিবসটি। ঢাকা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দুপুর পর্যন্ত ছিল না চোখে পড়ার মতো লোক সমাগম। তবে বেলা পড়তে শুরু করলে বাড়তে শুরু করে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের আগমন।
আগতদের সবাই সেজেছেন আপন সাজে। অনেকের পরনেই দেখতে পাওয়া যায় লাল-সবুজ ম্যাচিং করা শাড়ি, পাঞ্জাবি। সঙ্গী ছিল তাদের প্রিয়জন, আপনজন। শিশুরাও ঘুরতে এসেছেন বাবা-মায়ের হাত ধরে।
বিশেষ দিবসটিকে বিশেষ মুহূর্তে পরিণত করতে বেরিয়েছেন অনেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া তারান্নুম বলেন, "আজকে আমাদের বিজয় দিবস, একই সঙ্গে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে পেরে গর্ববোধ করছি। সকালে হল থেকে স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছি। আর বিকালে লাল-সবুজের পোশাকে সেজে প্রিয়জনের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছি, খুবই ভালো লাগছে।"
ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে ঘুরতে এসেছেন আব্বাস উদ্দিন। সঙ্গে ছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থী কন্যা। স্মার্ট ফোন হাতে মেয়ের ছবি তুলে দিচ্ছেন বাবা। তিনি বলেন, "মেয়ে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিবে, সব সময় পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, ক্লাস, কোচিং, প্রাইভেট। বেড়ানোর সময়ই পায় না। আমিও সময় করে উঠতে পারি না। আজ বিজয় দিবস উপলক্ষে তাকে নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়েছি। নিজের কাছেও খুব ভালো লাগছে। মূলত তাকে পড়াশোনায় অনুপ্রেরণা দিতে এখানে নিয়ে এসেছি।
বাবার হাত ধরে ঘুরতে এসেছে ৯ বছর বয়সী সামি আদনান। সামী এবার চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। সামী বলেন, "বাবার কাছে শুনেছি আমাদের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এখানে পড়েছেন। তাই আজ সকালে বাবার কাছে বায়না ধরেছি এখানে নিয়ে আসার জন্য। বাবা নিয়ে এলেন, খুবই ভালো লাগছে। বঙ্গবন্ধুর মতো আমিও একদিন এখানে পড়ব ইনশাআল্লাহ।"









