ক্যাম্পাসে আন্দোলনের জন্য জায়গা নির্ধারণ করে দিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। শহীদ মিনারের সামনের রাস্তা পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকা ভেঙে সেখানে প্লাজা নির্মাণ করা হবে এবং সেটি আন্দোলনের জন্য নির্ধারিত থাকবে। শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষার্থে শতবর্ষ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে এটি যোগ করা হয়েছে বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল।
উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) বলেন, ‘শহীদ মিনার আমাদের পবিত্র জায়গা, অনেকেই এসে এখানে আন্দোলন করেন। দেখা যায়, তাদের অনেকেই জায়গার পবিত্রতা রক্ষা করেন না। আন্দোলনকারীরা যেন নির্বিঘ্নে তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে কথা বলতে পারেন এবং শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষা হয়, সে জন্যই আমরা মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে এটি যোগ করেছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শহীদ মিনারের স্থাপনাগুলো অনেক বড় জায়গা নিয়ে হয়। আর তাই আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও কিছু জায়গার জন্য আবেদন করেছি।’
শহীদ মিনারের সামনের রাস্তাটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছে প্রশাসন। তবে অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের জন্য এটি খোলা থাকবে। শহীদ মিনারের পেছন দিয়ে এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) ভেতর দিয়ে একটি রাস্তা রয়েছে, ঢামেক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জনসাধারণের জন্য সেই রাস্তা উন্মুক্ত করার কথা ভাবছেন বলেও জানান তিনি।
অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘ঢামেক কর্তৃপক্ষও তাদের মাস্টার প্ল্যান হাতে নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।’









