আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। এরপরই কাতার-ইকুয়েডরের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ২২তম ফিফা বিশ্বকাপ। এই ফুটবলের উন্মাদনায় মেতেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। ফুটবল ভক্তরা কাঁপছেন বিশ্বকাপের জ্বরে!
এই জ্বর আরও বাড়াতে আয়োজনের যেন কমতি নেই ঢাবিতে। খেলা দেখতে রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মোহাম্মদ মহসীন হলের মাঠে লাগানো হয়েছে ২০ ফুট ডিজিটাল স্ক্রিন। মাঠের বেড়ার দেয়ালে লাগানো হয়েছে লাল-সবুজের মরিচ বাতি।
উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে হলে হলে। হলে ঢুকতেই আগে চোখে পড়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা-জার্মানি-পর্তুগালের পতাকা। সঙ্গে লাল-সবুজের পতাকাও দুলছে তাল মিলিয়ে। দেয়ালে দেয়ালে আঁকা হয়েছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা, মেসি-নেইমারের গ্রাফিতি।
হলের ক্যান্টিনে, রিডিংরুমে, বটতলা-মল চত্বরের আড্ডায়, টিএসসির চায়ের কাপে বিতর্ক– কে সেরা এই বিশ্বকাপে, কে জিতবে বিশ্বকাপ! ক্লাস কিংবা আড্ডায় এখন প্রিয় দলের জার্সি যেন শিক্ষার্থীদের আবশ্যক পোশাক। হলের টিভি রুমের সামনে লাগানো হয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফিকচার।
ফুটবল উন্মাদনায় ক্যাম্পাস মাতিয়ে রাখছেন ভক্তরা। প্রায়ই রাতেই প্রিয় দলের জার্সি আর পতাকা হাতে মিছিলে নামছেন ভক্তরা। শনিবার (১৯ নভেম্বর) ১৫০ ফুট আর্জেন্টিনার পতাকা হাতে মিছিল করেন দলটির ভক্তরা।
আর্জেন্টাইন ভক্ত মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, ‘ফুটবল নব্বই মিনিটের খেলা এবং এর পুরোটা সময়ই একটা টান টান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে যায়। স্নায়বিক চাপ একটা বাড়তি আনন্দ দেয় ভক্তদের। এই চাপ থাকে প্লেয়ারদের মাঝেও। যারা এই চাপ সামলে নিজেদের সেরাটা দিতে পারবেন, তারাই জিতবেন। আমি বলবো, এবার আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হবে। কারণ স্নায়বিক চাপ সামলানোর পরীক্ষায় তারা ৩৬ ব্যাচ ধরে অপরাজিত।’
ব্রাজিল সমর্থক আফসার মুন্না বলেন, ‘বর্তমান ফিফার এক নম্বর দল ব্রাজিল। সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাব ফুটবলে ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের যে পারফরম্যান্স, সে ধারাবাহিকতা যদি তারা ধরে রাখতে পারে। তাহলে আশা রাখা যায়, ব্রাজিলের হেক্সা মিশন সফল হবে। ব্রাজিলে যেকোনও টিমই সবসময়ই আশা জাগানিয়া দল ছিল। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।’









