‘দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, দ্রুত এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই’

জাবি প্রতিনিধি
১৩ নভেম্বর ২০২৪, ২০:৫৭আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৪, ২০:৫৭

জাতীয় ও ক্যাম্পাস ভিত্তিক সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি মশাল মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৩ নভেম্বর) ‘গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের’ ব্যানারে মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে মিছিল শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় এসে মিছিলটি শেষ হয়। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী শোয়াইব হাসানের সঞ্চালনায় বক্তারা বক্তব্য রাখেন। এ সময় বক্তারা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।

এ সময় সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন আয়ান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জায়গায় খুন ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের ‘‘ল অ্যান্ড অর্ডার’’ ভেঙে পড়েছে। কিন্তু দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক করার জন্য আমরা কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না। আমরা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের জোর দাবি জানাচ্ছি।’

একই বিভাগের শিক্ষার্থীর আনজুম শাহরিয়ার বলেন, ‘আশা করেছিলাম, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের প্রতিটি স্থানে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে। কিন্তু আমরা আশাহত হয়েছি। দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পুলিশ ঠিকমতো কাজ করছে না। আমরা অতিদ্রুত এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই।’

সমাপনী বক্তব্যে গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক আবদুর রশিদ জিতু বলেন, ‘দীর্ঘ একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা দেখেছি, দেশের প্রতিটি স্থানে নিরাপত্তা যেভাবে ভেঙে পড়েছে তাতে আমরা শঙ্কিত। দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন, চাঁদাবাজি ও ক্যাম্পাসগুলোতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। ক্যাম্পাসে নারীদের নিরাপত্তা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পাস থেকে এখনও মাদকের সিন্ডিকেট যায়নি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।’

/এফআর/
সম্পর্কিত
তোপের মুখে অফিস ত্যাগ করলেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৭ দাবিতে আজও বিক্ষোভ 
এবার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হেফাজতের
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম