জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে দুপুরের পর উত্তাপ ছড়ালেও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। প্রায় ৭০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে ৭৫২টি। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে আল বেরুনী হলে ১২৫টি।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ভোট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। কিছু কিছু কেন্দ্রে নির্দিষ্ট সময় ৫টার পরও ভোটগ্রহণ করতে দেখা গেছে। কেন্দ্র প্রধানদের সঙ্গে কথা বলে ভোট কাস্টের এসব তথ্য জানা গেছে।
কোন হলে কত ভোটার ও কতটি পড়েছে
আল বেরুনী হল- মোট ভোটার, ২১১ ভোট পড়েছে ১২৫টি। কামাল উদ্দিন হল- মোট ভোটার ৩৪১, ভোট পড়েছে ২১৬। মীর মশাররফ হোসেন হলে মোট ভোটার ৪৮৭,ভোট পড়েছে ৩১০। নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলে মোট ভোটার ২৮৭, ভোট পড়েছে ১৩৮। শহীদ সালাম-বরকত হলে মোট ভোটার ৩০৩, ভোট পড়েছে ২২৪। মাওলানা ভাসানী হলে মোট ভোটার ৫২১, ভোট পড়েছে ৩৮৪। জাহানারা ইমাম হলে মোট ভোটার ৪০২, ভোট পড়েছে ২৪৭। প্রীতিলতা হলে মোট ভোটার ৪০২, ভোট পড়েছে ২৫০। বেগম খালেদা জিয়া হলে মোট ভোটার ৪১৭, ভোট পড়েছে ২৪৯। ১০ নং (বঙ্গবন্ধু হল) হলে মোট ভোটার ৫৪১, ভোট পড়েছে ৩৮১।
শহীদ রফিক-জব্বার হলে মোট ভোটার ৬৫৬, ভোট পড়েছে ৪৭০। বেগম সুফিয়া কামাল হলে মোট ভোটার ৪৬০, ভোট পড়েছে ২৪৬। ১৩ নং (শেখ হাসিনা হল) হলে মোট ভোটার ৫৩২, ভোট পড়েছে ২৯২। ১৫ নং (বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা) হলে মোট ভোটার ৫৭৭, ভোট পড়েছে ৩৫০। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে মোট ভোটার ৩৫৮, ভোট পড়েছে ২৬১। রোকেয়া হলে মোট ভোটার ৯৫৭, ভোট পড়েছে ৬৮০। ফজিলাতুন্নেছা হলে মোট ভোটার ৮০৯, ভোট পড়েছে ৪৮৯। বীরপ্রতীক তারামন বিবি হলে মোট ভোটার ৯৮৩, ভোট পড়েছে ৫৯৫। ২১ নং (শেখ রাসেল হল) হলে মোট ভোটার ৭৪৬, ভোট পড়েছে ৫৬০। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে মোট ভোটার ৯৯৩, ভোট পড়েছে ৭১৫। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলে মোট ভোটার ৯১৪ ও ভোট পড়েছে ৭৫২টি।









