ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, “পরিকল্পিতভাবে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধের চেষ্টা জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। আদালতে যাওয়া কিংবা নির্বাচন কমিশনের সামনে অবস্থান নিয়ে নির্বাচন স্থগিতের অপচেষ্টা গণতন্ত্রবিরোধী অবস্থান ছাড়া কিছু নয়।”
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকালে ঢাবির ডাকসু ভবনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন চার সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ডাকসু ভিপি বলেন, “জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে ছাত্র সংসদ নির্বাচন ছিল অন্যতম প্রধান দাবি। সেই দাবির বাস্তবায়ন হিসেবেই ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে একটি অনন্য গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে দেশের আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা প্রমাণ করে—এই নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দল নয়, বরং গণতন্ত্রই বিজয়ী হয়েছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, যারা একসময় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সহযোদ্ধা ছিল, তারাই এখন নির্বাচন বন্ধের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের চাপ ও রিট আবেদনের মাধ্যমে শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করাকে তিনি লজ্জাজনক বলে আখ্যা দেন।
সাদিক কায়েম বলেন, “ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। যারা প্রকাশ্যে বা গোপনে এই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে চায় ছাত্রসমাজ তা কখনোই মেনে নেবে না।”
সংবাদ সম্মেলনে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান বলেন, “শাকসুর শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো ছাত্র সংসদ নির্বাচন।”








