শনিবার শাহবাগে সমাবেশ করবে জাবির আন্দোলনকারীরা

Send
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২১:৩৬, নভেম্বর ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪০, নভেম্বর ২১, ২০১৯

 

আন্দোলনকারীদের সংবাদ সম্মেলনজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণসহ তিন দফা দাবিতে আগামী শনিবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সমাবেশের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ও মানবিকী অনুষদ ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ মঞ্চের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন।

রায়হান রাইন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতিতে অনতিবিলম্বে হল ত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবিতে শাহবাগে আগামী শনিবার (২৩ নভেম্বর) বিকাল তিনটায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষক, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গুণীজনরা যোগ দেবেন।

আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি হলো- তাদের ওপর হামলার বিচার ও উপাচার্যের অপসারণ, হল ত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও উপাচার্যের  বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে দেশীয় আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করা। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শোভন রহমান বলেন, ‘১৩ নভেম্বর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে ২১ নভেম্বরের মধ্যে হল খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। কিন্তু, কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সচল করার ব্যাপারে উদ্যোগী না হয়ে ফাঁকা ক্যাম্পাসের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাস্টাররোল ও দৈনিক ভিত্তিতে একের পর এক কর্মচারী নিয়োগ দিচ্ছে। যারা উপাচার্যের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তাদের স্বজনদের নিয়োগের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনিক কার্যক্রম চললেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যে বিপর্যস্ত হতে চলেছে, সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনও ভ্রক্ষেপ নেই।’

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনের একপর্যায়ে ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার বাসভবন ঘেরাও করেন আন্দোলনকারীরা। পরদিন ৫ নভেম্বর আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পরে সেদিনই এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের মধ্যেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উপাচার্যের অপসারণ ও ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। 

/এনআই/

লাইভ

টপ