বুধবার জাতীয় সংসদে ‘পাট বিল-২০১৬’ উত্থাপিত হয়েছে। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজউদ্দিন প্রামাণিকের পক্ষে প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বিলটি উত্থাপন করেন। পরে আইনটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, ১৯৬২ সালে জুট অর্ডিন্যান্সে আইন ভঙ্গের শাস্তি ছিল তিনবছর। নতুন আইনের প্রস্তাবে আগের তিনবছর কারাদণ্ডের সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। আগের অধ্যাদেশে আইন লঙ্ঘন করলে তিনবছর কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও কত টাকা জরিমানা করা যাবে তা নির্ধারিত ছিল না।
বিলে বলা হয়েছে, পাট ও পাটজাত পণ্যের উন্নয়নের জন্য সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা একটি উন্নয়ন তহবিল গঠন করতে পারবে। এছাড়া সরকার পাটখড়ি থেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে যেকোনও বা বিশেষ শ্রেণির পণ্য উৎপাদন, ক্রয় ও বিক্রয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
এছাড়া, সরকার পাট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পণ্য উৎপাদন, মজুদ, ক্রয়, বিক্রয় বা ব্রেকারি সংক্রান্ত হিসাব, রিটার্ন তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের নির্দেশ দিতে পারবে বলেও বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
/ইএইচএস/এমও/








