বাংলা ট্রিবিউনে তথ্যসমৃদ্ধ ও বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদনের জন্য মে মাসের তিন ক্যাটাগরিতে সেরা চার প্রতিবেদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।এই চার প্রতিবেদক হলেন- সিনিয়র প্রতিবেদক সালমান তারেক শাকিল, নিজস্ব প্রতিবেদক চৌধুরী আকবর হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক ওয়ালিউল মুক্তা ও চাঁদপুর প্রতিনিধি ইব্রাহিম রনি। পুরস্কার হিসেবে তাদের নগদ অর্থ ও প্রশংসাপত্র দেওয়া হবে।
শনিবার বিকেলে বাংলা ট্রিবিউনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল তিন ক্যাটাগরিতে সেরা চার প্রতিবেদকের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় প্রধান বার্তা সম্পাদক হারুন উর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।
৬ মে বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত সিনিয়র প্রতিবেদক সালমান তারেক শাকিল ও নিজস্ব প্রতিবেদক চৌধুরী আকবর হোসেনের ‘জঙ্গিরা কোপান, ভোগেন মুসল্লিরা’ শিরোনামের যৌথ প্রতিবেদনটি সেরা প্রতিবেদন ক্যাটাগরিতে নির্বাচন করেন বাংলা ট্রিবিউনের জুরি বোর্ড।
জনপ্রিয় ক্যাটাগরিতে সর্বাধিক পঠিত সংবাদ হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে নিজস্ব প্রতিবেদক ওয়ালিউল মুক্তার একটি প্রতিবেদন। ২৪ মে প্রকাশিত বিনোদন বিভাগের সে প্রতিবেদনের জন্য তিনি পুরস্কার পাচ্ছেন।
এছাড়া সারাদেশ ক্যাটাগরিতে সেরা নির্বাচিত হয়েছে ১৮ মে প্রকাশিত বাংলা ট্রিবিউনের চাঁদপুর প্রতিনিধি ইব্রাহিম রনির ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা নদীতে, ইলিশের হদিস নেই’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি।
মে মাসে পুরস্কার প্রদানের জন্য বিবেচনায় ছিল- রশিদ আল রুহানীর প্রতিবেদন ‘পাঠ্য বইয়ে ভাইভার, স্কাইপকে সেক্স ক্যামেরা আখ্যা’, জামাল উদ্দিনের ‘শর্ত ভেঙে বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার, পাঁচ এয়ারলাইন্স শনাক্ত’, উদিসা ইসলামের ‘কাজের বুয়া,হকার ও সুইপারদের লিফটে ওঠা নিষেধ!’, আমানুর রহমান রনির ‘এক মুঠো ভাতের জন্য আদালতে মা’, সালমান তারেক শাকিল ও চৌধুরী আকবর হোসেনের যৌথ প্রতিবেদন ‘আচমকা নয়, পরিকল্পিত ভাবেই শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয় হেফাজত’, ওমর ফারুকের ‘মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে অভিশপ্ত সড়ক!’, গোলাম মওলার ‘সাড়ে ৬ হাজার এটিএম বুথই অবৈধ!’, জাকিয়া আহমেদের ‘সব অ্যাম্বুলেন্সই অ্যাম্বুলেন্স নয়, আছে ঝুঁকি’, পাভেল হায়দারের ‘হেফাজতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলছে আ.লীগ’ প্রতিবেদনগুলো অন্যতম।
ভালো কাজের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি মাসে এ ধরনের পুরস্কার দিয়ে থাকে বাংলা ট্রিবিউন।
/সিএ/এপিএইচ/আপ-এমও








