ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।একই সঙ্গে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে প্রকৃত সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে ইইউ।
‘বাংলাদেশের অবস্থা' শীর্ষক এক আলোচনার প্রারম্ভিক বক্তৃতায় ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বার্ট কোয়েনডার্স এক বিবৃতিতে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর প্রতি প্রকৃত সংলাপে বসার আহ্বান জানান। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় এবং গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য এই সংলাপ জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার রাতে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে ডাচমন্ত্রী বলেন,বাংলাদেশ ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার হচ্ছে। তারা এমন বাংলাদেশ দেখতে চান যেখানে মানবাধিকারের প্রকৃত মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখা হয়।
আরও পড়তে পারেন: এবার বিবিসি বাংলারও দুঃখ প্রকাশ
‘এখনই সময় বাংলাদেশের সরকার ও গণতান্ত্রিক দলগুলোর মধ্যে প্রকৃত সংলাপ শুরু করার’ বলেন কোয়েনডার্স।
সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন,বাংলাদেশে সামাজিক সমঝোতা তৈরি করতে হবে,যাতে করে গণতন্ত্র,মানবাধিকার,মত প্রকাশ এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা সমুন্নত থাকে।
বিবৃতিতে বলা হয়,২০১৪ সালের ‘বির্তকিত’ নির্বাচন বিরোধী দলগুলো বর্জন করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও ওই নির্বাচনের সমালোচনা করে। ওই নির্বাচনের পর থেকেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক, মানবাধিকার এবং নিরাপত্তার অবস্থা দুর্ভাগ্যবশত নিম্নমুখী হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন,নাগরিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দেওয়া এবং সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি।
তিনি বলেন,তারা সংঘটিত এসব ঘটনাবলী ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে তাদের উদ্বেগ নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাবেন।
২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে গেলে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক ও সংস্থাকে এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতাও লাগবে বাংলাদেশের।
আরও পড়তে পারেন: আমি হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট, গুপ্তহত্যার সব তথ্য আমার কাছে আছে: প্রধানমন্ত্রী
এসএসজেড/এমএসএম /








