রেলওয়ে সম্পত্তি (অবৈধ দখল উদ্ধার) বিল- ২০১৬ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে রেলের সম্পত্তি চুরি বা অবৈধ দখল ঠেকাতে বিদ্যমান সাত বছরের জেল-জরিমানার বিধান বহাল রাখা হয়েছে। মূলত সামরিক শাসনামলে ১৯৭৯ সালে জারি করা এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি বাতিল করে নতুন আইন করতেই এ বিলটি উত্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সংসদে প্রস্তাবিত আইনটি তোলেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। পরে বিলটি পরীক্ষা করে ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
বিলে বলা হয়েছে, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কোনও সদস্যের কাছে যদি মনে হয় কোনও ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করছে তবে তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে।
প্রস্তাবিত আইনে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাহিনীর কর্মকর্তা কোনও ব্যক্তির সাক্ষ্য নেওয়া, দলিল দাখিল বা উপস্থিতি নিশ্চিতে সমন জারি করার বিধান রাখা হয়েছে।
এই আইনের আওতায় অপরাধ করার সময় ব্যবহৃত বস্তু, যন্ত্রপাতি, প্রাণি, যানবাহন বাজেয়াপ্ত করার এবং তা রেলওয়ে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে রেলমন্ত্রী বলেন, প্রজাতন্ত্রের কাজের ধারাবাহিকতা, আইনের শাসন এবং জনগণের আইনানুগ অধিকারগুলো জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুণ্ন রাখার জন্য সামরিক আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে কিছু অধ্যাদেশ কার্যকর করার লক্ষ্যে নতুন এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন-
প্রতারণার মামলা পুলিশের কাছে ফিরিয়ে দিতে দুদক আইনে সংশোধন
লাখো আলেমের জঙ্গিবাদবিরোধী ফতোয়া যাবে জাতিসংঘে
/ইএইচএস/এফএস/








