বাংলা ট্রিবিউন আয়োজিত গুলশান হামলা বিষয়ক বৈঠকিতে আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার বিভৎসতার কথা তুলে ধরেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ। তিনি বলেন, 'ভারতীয় নাগরিক তারিশির জৈনের বুকে ৩০ থেকে ৪০টি কোপের দাগ পাওয়া গেছে। এটাকে অমানবিক বললেও ভুল হবে। এ ঘটনা সকল অমনাবিকতাকেও হার মানিয়েছে।'
তার মতে, 'যখন কোনও জঙ্গি ধরা পড়ে তাদের ক্রসফায়ারে না দিয়ে রিহ্যাবে পাঠানো উচিৎ। সেক্ষত্রে ড্রাগের প্রভাব কেটে গেলে তাদের কাছ থেকে আরও অনেক তথ্য নেওয়া যাবে। কিভাবে সে এ পথে আসলো সেটা জানা যাবে। সেটা জানলে জঙ্গিবাদ রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা যাবে।'
ডা সোহেল মাহমুদ বলেন, 'তারিশির জৈনের দু হাতে কোপ দেওয়া হয়েছে। তার বুকে ৩০ থেকে ৪০টি কোপের দাগ পাওয়া গেছে। এটা সমস্ত অমানবিকতাকে হারিয়ে দিয়েছে।'
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, 'আমারও মনে হয় জঙ্গিদের রিহ্যাব দরকার। এ বিষয়ে নজর দেওয়া হলে আমরা হয়তো জঙ্গিদের মনোজাগতিক বিশ্লেষণ করতে পারব।
গুলশান হামলা, দুর্বলতা কোথায়?' শীর্ষক বৈঠকি সরাসরি সম্প্রচারিত হয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তর টিভিতে। প্রচার সহযোগী হিসেবে আছে ঢাকা ট্রিবিউন। বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক পেজের কমেন্ট অপশনে নিজেদের প্রত্যাশা উপস্থাপনের মাধ্যমে পাঠকরাও এই আয়োজনে অংশ নেন। মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নিচ্ছেন, মেজর জেনারেল (অব) আবদুর রশিদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদার, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক নূর খান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা সোহেল মাহমুদ, সাংবাদিক উদিসা ইসলাম ও বাংলা ট্রিবিউনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল।
/এমআর/এফএএন/








