সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বা দেশের স্বার্থে আঘাত করবে এমন কোনও সাহায্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশিদের থেকে নেবেন না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জঙ্গিবাদী অপশক্তির উদ্বেগ ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক জাতীয় সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
‘সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধ ৭১’ আয়োজিত এ সংলাপে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি দমনে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বা স্বার্থে আঘাত করবে এমন কোনও সাহায্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশিদের থেকে নেবেন না। যতোদিন শেখ হাসিনা আছেন ততোদিন বিদেশিরা কোনও অজুহাতে বাংলাদেশে ঢুকতে পারবে না। আমাদের দেশের জনগণের মধ্যে একটি সামাজিক বিপ্লব তৈরি করে এই জঙ্গিদের নির্মূল করা হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া জামায়াত ইসলামের সঙ্গ ছেড়ে শেখ হাসিনাকে নেতা মেনে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানালে সেটা মানা যাবে। আজকে গুলশান ও শোলাকিয়ার ঘটনাই দেশবাসীকে এক করে দিয়েছে।
বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, আজকে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে জঙ্গির সৃষ্টি হচ্ছে। আর বাংলাদেশের জঙ্গিরা মূলত স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। কারণ আমরা খেয়াল করেছি যে, যেসব জঙ্গি ধরা পড়ছে তারা কোনও না কোনও সময় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত ছিল।
সংগঠনের সহ-সভাপতি নূরুল আলমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান, সাবেক কূটনৈতিক মহিউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমসহ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: তুরস্কে ‘ব্যর্থ অভ্যুত্থান’র ঘটনা প্রবাহ
/এসআইএস/এমও/








