‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীল কমিশন-২০১৫’-এর চেয়ারম্যান হলেন সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খান (এনআইখান)। সম্প্রতি সরকার তাকে ৬ মাসের জন্য এ পদে নিয়োগ দেয়। যোগদানের কাল থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞপনে ৩টি শর্তে এনআই খানকে কমিশনের সার্বক্ষণিক চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। মেয়াদকালে তিনি মাসিক ৬০ হাজার টাকা সম্মানী ও সরকারি গাড়ি পাবেন। সরকার গাড়ি সরববরাহ করতে না পারলে এ বাবদ অতিরিক্ত আরও ১০ হাজার টাকা পাবেন। তবে তিনি সরকারি বাড়ি পাবেন না। শর্তালোকে যেকোনও পক্ষের এক মাসের নোটিশে এ নিয়োগ বাতিল করা যাবে। ছয় মাসের জন্য নিয়োগ হলেও সরকার চাইলে এ মেয়ার বাড়াতে পারবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব-১ এনআই খান সরকারের শিক্ষা সচিব হিসেবে গত বছর ৩০ নভেম্বর অবসরে যান। এরপর এ বছরের ১৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর হিসেবে নিয়োগ দেন।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাড়ানোর পর রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের বেতনভাতা বাড়াতে গত বছরের নভেম্বরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীল কমিশন-২০১৫’ গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এ কমিশন সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করবে।
১৩টি ক্যাটাগরিতে ‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীল কমিশন-২০১৫’-এ মোট সদস্য থাকবে ১৭ জন। এ কমিশনের সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব বা ভারপ্রাপ্ত সচিব নিয়োগের কথা বলা হয়। এ ছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে, একজন অর্থনীতিবিদ, একজন হিসাব বিজ্ঞানী, তিনজন মালিকপক্ষের প্রতিনিধি, তিনজন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি, একজন ন্যূনতম যুগ্ম সচিব পর্যায়ের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, একজন ন্যূনতম যুগ্ম সচিব পর্যায়ের শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, একজন ন্যূনতম যুগ্ম সচিব পর্যায়ের অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি, একজন ন্যূনতম যুগ্ম সচিব পর্যায়ের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, একজন ন্যূনতম যুগ্ম সচিব পর্যায়ের পরিকল্পনা কমিশনের প্রতিনিধি, একজন ন্যূনতম যুগ্ম সচিব পর্যায়ের ন্যাশনাল প্রোডাক্টটিভিটি অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি, নিম্নতম মজুরি বোর্ডর চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম সচিব শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (সদস্য সচিব) নিয়োগের কথা বলা হয়।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/








