বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, জঙ্গিবাদ দমন করতে গেলে গণতন্ত্রের জায়গা কমে যায়। শনিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জাপানের হিরোশিমায় মার্কিন আনবিক বোমা হামলার ৭১তম বার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা-সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘বাংলাদেশ শান্তি পরিষদ’ আয়োজিত ওই সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘যখন জঙ্গিবাদের উত্থান হয়, তখন সরকার তা দমনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। আর তখন গণতন্ত্রের জায়গা কিছুটা হলেও কমে আসে; এটা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই।’
শোলাকিয়ার হামলায় জড়িত শফিউল সম্প্রতি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করে বলছেন, তাকে বিচারের আওতায় আনা যেত। কিন্তু এসব প্রেক্ষাপটে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে গণতন্ত্রের জায়গা কিছুটা হলেও কমবে। এটি শুধু আমাদের দেশে ঘটছে না। যেসব জঙ্গি-হামলা হচ্ছে, সেসব দেশে গণতন্ত্রের জায়গা কিছুটা হলেও কমে যাচ্ছে।’
জামায়াত ইসলামের সমালোচনা করে মেনন বলেন, ‘জামায়াতকে নিষিদ্ধ না করার কোনও কারণ অনন্ত আমার কাছে নেই। আবার জামায়াতের অর্থনীতির উৎস ও তাদের জঙ্গি-অর্থায়নের উৎস বন্ধ না করারও কোনও কারণ আমি দেখি না। এদেরকে নিষিদ্ধ করার কথা আমি মন্ত্রী হওয়ার আগ থেকেই বলে আসছি।’
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের রাজনীতি করা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মতো বড় কাজটি করতে পেরেছি। কিন্তু তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কাজটি এখনও করতে পারিনি। তাই তাদেরকে এখনও চূড়ান্তভাবে পরাজিত করা যায়নি।’
পরিষদের সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন পল্টুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন, মুক্তিযোদ্ধা ট্রাস্টের ডা. সারওয়ার আলী প্রমুখ।
/এসআইএস/এআরএল/








