কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সনদ দিতে হলে ন্যূনতম একটি কারিকুলাম দরকার। আমরা কওমি মাদ্রাসা কমিশন গঠন করে দিয়েছি। কিন্তু কওমি মাদ্রাসার পাঁচটি বোর্ড একমত হতে পারেনি। সবাই একমত হন অথবা যারা আগ্রহী, তারা একমত হন, আমরা বাস্তবায়ন শুরু করে দেব।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ জমিয়াতুল উলামা আয়োজিত ‘ইসলামের দৃষ্টিতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সম্মেলনে আলেমদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যখনই কেউ ইসলামিক টেররিস্ট বলে, আমি সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতিবাদ করি। সন্ত্রাসী কোনও ধর্মের হতে পারে না। সামান্য কয়েকটি লোক ইসলামকে হেয় করতে পারে না। পৃথিবীর সবচেয়ে মানবিক, উদার, শান্তি-সৌহার্দ্য ও সহনশীলতার ধর্ম ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সবচেয়ে দুঃখ লাগে যখন সামান্য কিছু লোক ধর্মের নাম ব্যবহার করে সন্ত্রাস চালাচ্ছে, মানুষ হত্যা করছে। আমাদের পবিত্র ধর্মকে হেয় করছে। তারা কোরআন-হাদিস ও ইসলামের পবিত্র বাণী মানবে না, নামাজ না পড়ে মানুষ খুন করতে যায়, তারা কী করে বেহেশতে যাবে? তারা কী করে ভাবে, তারা মানুষ খুন করে বেহেশতে যাবে! এসময় সারা দেশে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় ৫৬০টি মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।
সম্মেলেনে বাংলাদেশ জমিয়াতুল উলামার সভাপতি ফরিদউদ্দীন মাসউদ একলাখের অধিক আলেমের স্বাক্ষরিত ৩০ খণ্ডের ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ফতোয়া’ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
আরও পড়ুন: জেলা-উপজেলায় ইসলামি সাংস্কৃতিক শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
/সিএ/এমও/








