বঙ্গবন্ধু বিশ্ববাসীর কাছে অপরূপ বাংলাদেশের ছবি তুলে ধরতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পর্যটন শিল্পেরও জনক। কক্সবাজারকে জেনেভা শহরের মতো আন্তর্জাতিক হাবে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। স্বাধীনতার আগেই ৩২ নম্বরের বাড়িতে আমার সঙ্গে একান্ত আলাপকালে বঙ্গবন্ধু এ আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন। রবিবার দুপুরে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘সংগ্রামী জীবন থেকে সোনার বাংলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে যে ঝাউবন, তা বঙ্গবন্ধু লাগিয়ে ছিলেন। পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি।
স্মৃতিচারণ করতে গিযে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আগে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু যেখানে আটক ছিলেন, তার পেছনে আমি ছিলাম। ওই সময় আমাকে সপ্তাহে ৪ দিন কোর্টে নেওয়া হতো। এর সুবাদে বাইরের দুনিয়ার সব খবর বঙ্গবন্ধুকে জানাতাম। এ সময় বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য পাই।
রাশেদ খান মেনন বলেন, বর্তমান সরকারের যে উন্নয়ন ভাবনা, তার সূচনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তারই আজন্ম লালিত স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের নিরন্তর প্রয়াস অব্যাহত আছে। জঙ্গিবাদী সন্ত্রাস চালিয়ে এ প্রয়াস রুদ্ধ করা যাবে না। এ সন্ত্রাস জতির কাছে অপরিচিত নয়। ১৯৭১ সালেও ধর্মের নামে সন্ত্রাস চালিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার পাঁয়তারা হয়েছিল, কিন্তু আমরা সম্মিলিত প্রতিরোধে তাদের পরাজিত করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। আজও উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরাজিত করব।
বিটিবির সিইও আখতারুজ জামান খান কবিরের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বক্তৃতা করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব এসএম গোলাম ফারুক, বিপিসির চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী প্রমুখ। আলোচনাসভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটিবি’র পরিচালক ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস।
/সিএ/এমএনএইচ/








