
বাড়িওয়ালাদের মাধ্যমে ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে পুলিশের বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ নিয়ে জারি করা রুল পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশিষ রঞ্জন দাসের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২৭ মার্চ বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। রুলে ‘ঢাকা মহানগর পুলিশ (নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা) বিধিমালা-২০০৬’ এর ৪ (খ) ধারার একটি অংশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চান আদালত।
ভাড়াটিয়ার তথ্য চাওয়া নিয়ে একটি রিট এর আগে খারিজ হয়েছিল। পরে আরেকটি বেঞ্চ রুল দেন। একই বিষয়ে দুই রকম আদেশ চলতে পারে না। এ কারণে রাষ্ট্রপক্ষ সে রুলের আদেশ বাতিল চেয়ে আপিল আবেদন করেন। পরে আপিল বিভাগ ২৭ মার্চের রুলটি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।
রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী অনীক আর হক বলেন, ‘ঢাকা মহানগর পুলিশ (নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা) বিধিমালা-২০০৬’ এর ৪ এর খ ধারায় বলা হয়েছে, ‘মহানগরীর কোনও এলাকাতে কোনও অপরাধ ঘটলে পুলিশ দ্রুত যে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারে’। আমরা এ উপ-ধারার ‘যেকোনও’ শব্দটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করি। এ বিধান বলে বাড়ির মালিকের মাধ্যমে ভাড়াটিয়ার ব্যক্তিগত যাবতীয় তথ্য চেয়ে ফরম বিলি করছে পুলিশ। কিন্তু এ বিধানের ক্ষমতা বলে একজন ব্যক্তির সব ব্যক্তিগত তথ্য পুলিশ চাইতে পারে না।’
হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা, এস এম এনামুল হক ও অমিত দাশগুপ্ত।
এর আগে ২৯ ফেব্রুয়ারি বিট পুলিশিং নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সংবাদমাধ্যম কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ১৫ মার্চের মধ্যে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। রাজধানীর সব বাসায় ফরম পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে অনেক ফরম ফেরত পেয়েছে, অনেক ফরম পায়নি। যা ১৫ মার্চের মধ্যে শেষ হবে। পরে বেশ কয়েকবার সময় বাড়ানো হয়।
/ইউআই/এসটি/








