বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬টি জেলায় ক্ষতি পোষাতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে নাবি জাতের রোপা আমন ধানের চারা ও সবজি বীজ সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
বুধবার দুপুরে কৃষি মন্ত্রণালয়ে সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।এ সময় কৃষি সচিব মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন আব্দুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৬৪টি জেলায় ‘খরিপ-২’ মৌসুমে মাসকলাই, রবি মৌসুমী গম, ভুট্টা, সরিষা, চিনা বাদাম, স্যালন, খেসারি ও বোরো ধান এবং পরবর্তী ‘খরিপ-১’ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ, তিল উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় ১৭ হাজার ২১১ জন কৃষককে ৫৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকার ধানের চার ও বীজ সরবরাহ করা হবে। আর প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৪ লাখ এক হাজার ৩শ’ জন কৃষক ৪১ কোটি ৫৬ লাখ ৮ হাজার ৮শ’ টাকার ধানের চারা, সার ও বীজ পাবেন।’
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ৬৪ জেলায় সর্বমোট ৪ লাখ ১৮ হাজার ৫১১ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৪২ কোটি ৯ লাখ ৮২ হাজার ৮০০ টাকার ধানের চারা, সার ও বীজ সরবরাহ করবে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৮ সালের বন্যার পর কেউ কেউ বলেছিল দেশের ২ কোটি মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে ওই বছর না খেয়ে ২ কোটি পিঁপড়াও মরেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের কৃষকরা অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাই আল্লাহ তাদের দু’হাত ভরে ফসল দেন। এখন আমরা শুধু ধান নয়, সবজি উৎপাদনের দিকে মনোযোগী হচ্ছি। কারণ, ধান চাষ করলে ফসল পেতে ১৪০/১৫০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু সবজি চাষে প্রতি সপ্তাহে কৃষকের হাতে টাকা আসে।’
/এসআই/এসএনএইচ/টিএন/







