নৌযান শ্রমিকদের সমস্যা নিরসনে সরকার ও মালিক পক্ষের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে শ্রম পরিদফতরে এ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে সরকারের পক্ষে শ্রম পরিদফতরের পরিচালক আশরাফুজ্জামান এবং মালিক পক্ষের কার্গো ভ্যাসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌযান চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বদিউজ্জামান বাদল এবং লঞ্চ মালিক সমিতির নেতা গোলাম কিবরিয়া টিপু উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নৌযান মালিকরা শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো চূড়ান্তসহ চারটি দাবি পেশ করেন। তবে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে, গত দুইদিন ধরে সারাদেশে নৌযান চলাচল বন্ধ থাকলে বৃহস্পতিবার সকালে সীমিত আকারে বিভিন্ন রুটে ঢাকা থেকে লঞ্চ ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। এদিন সকালে ঢাকা-বরিশাল, ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে কয়েকটি লঞ্চ ছেড়ে যায়।তবে পণ্য পরিবহনকারী লঞ্চ চলছে না। আর পণ্য পরিবহন করতে না পারায় ঢাকায় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, মজুরি বাড়ানোর দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছে দেশের নৌযান শ্রমিকরা। গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে সারাদেশে এই কর্মবিরতি শুরু করে নৌ-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ। গত ২০ এপ্রিল মজুরি বৃদ্ধিসহ মোট ১৫ দফা দাবিতে কর্মবিরতি ডেকেছিল তারা। চার মাসের মাথায় ফের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে নৌযান শ্রমিকরা।
/এসআই/এসএনএইচ/








