
নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গি তামিম আহমেদ চৌধুরীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে কাজ করছে নুরুল ইসলাম মারজান। এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক।
বুধবার পুলিশ সদর দফতরে দেশের সাম্প্রতিক আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এ সময় তিনি সম্প্রতি গুলশান, শোলাকিয়া, কল্যাণপুর ও নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি হামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানান।
শহীদুল হক বলেন, ‘মারজান এক সময় শিবিরের নেতা ছিল। বর্তমানে সে পলাতক আছে। তাকে ধরার জন্য চেষ্টা চলছে।’
এ সময় তিনি নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গিদের পরিচয় দেন।তাদের মধ্যে তামিম আহমেদ চৌধুরী সিলেটে বিয়ানিবাজারের স্বাধীমাপুর গ্রামের শফিক আহমেদ চৌধুরীর ছেলে। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে শফিক আহমেদ সপরিবারে কানাডায় চলে যান। সেখানেই তামিম চৌধুরীর জন্ম হয়। ২০১৩ সালে ৫ অক্টোবর তামিম বাংলাদেশে আসে। সে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি এলাকাসহ, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, গুলশান, শোলাকিয়া, কল্যাণপুরে জঙ্গি হামলার তত্ত্বাবধানে ছিল। এমনকি এসব হামলার অস্ত্র ও অর্থ জুগিয়েছে তামিম।
নিহত অপর জঙ্গির নাম কাজী ফজলে রাব্বী। সে যশোরের কিসমত নোয়াপাড়া গ্রামের কাজী হাবিবুল্লাহর ছেলে। সে যশোর এমএম কলেজে প্রথম বর্ষে পড়াশুনা করতো। চলতি বছরের শুরুতে সে জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেয়। গত ৭ এপ্রিল পরিবরের পক্ষ থেকে সদর থানায় তার নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করা হয়।
অভিযানে নিহত আরেক জঙ্গির নাম তওসিফ হোসেন।সে রাজশাহীর গোয়ালিয়া থানাধীন রামচন্দ্রপুরের ডা. আজমল হোসেনের ছেলে। তারা সপরিবারে ধানমন্ডিতে থাকতো। সে ২০১১ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল।২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সে নিখোঁজ হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডি থানায় তার নিখোঁজের বিষয়ে জিডি করে পরিবার।
/জেইউ/এসএনএইচ/টিএন/








