রাজধানীর মিরপুরের রূপপুরে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত জঙ্গি নিহত মুরাদের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সেখানে শনিবার তার মরদেহের ময়নাতদন্ত হবে।
শুক্রবার দিনগত রাত দুইটা ২৫ মিনিটে রূপনগরের আবাসিক এলাকার ৩৩ নম্বর সড়কের ৩৪ নম্বর বাড়ি থেকে জঙ্গি মুরাদের মরদেহ নিয়ে যায় পুলিশ। রাত তিনটা ১০ মিনিটে মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পৌঁছায়।
ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, নিহত জঙ্গি মুরাদ ওরফে জাহাঙ্গীর ওরফে ওমর নব্য জেএমবির সামরিক শাখার প্রশিক্ষক ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সে নিহত হয়।
নিহত হওয়ার আগে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জঙ্গি মুরাদ পিস্তল হাতে গুলি করতে করতে তার আস্তানা থেকে পালানোর চেষ্টা করে। এ ছাড়া ছুরিকাঘাত করে পুলিশের চার সদস্যকে আহত করে সে। আহত পুলিশ সদস্যদের স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শাহীন ফকির, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অপারেশন) সৈয়দ শহীদ আলম এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোমিনুল, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বোখারী। আহতদের মধ্যে ওসি দুজনের পিঠে এবং এসআই ডানবাহুতে আঘাত পেয়েছেন। এএসআই বোখারীর বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। রূপনগর থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপকমিকশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ‘মুরাদ নব্য জেএমবির মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীর সেকেন্ড ইন কমান্ড।’
/জেইউ/এআরআর/এবি/
আরও পড়ুন
- অভিযানে নব্য জেএমবির প্রশিক্ষক মুরাদ নিহত
- জঙ্গি আস্তানায় গোলাগুলিতে ৪ পুলিশ কর্মকর্তা আহত
- নব্য জেএমবির প্রশিক্ষক মুরাদের মরদেহের ছবি প্রকাশ
- সেনাবাহিনীতে মুরাদ বলে কোনও মেজর নেই!








