চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘মিতু হত্যার তদন্তে কোনও খোঁজ নেননি বাবুল আক্তার। তদন্তের খোঁজ নেওয়ার পরিবর্তে প্রতিনিয়ত চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্যে দৌড়াচ্ছেন তিনি।'
বুধবার দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে নিজ কক্ষে বাংলা ট্রিবিউনের মুখোমুখি হন সিএমপির এই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার।
বাবুল আক্তারের পক্ষ থেকে তদন্তের খোঁজ না নেওয়ার প্রসঙ্গ ধরেতিনি বলেন, ‘বাবুল আক্তার মামলার বাদী। কিন্তু ঘটনার পর নিজ থেকে আমাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। এমনকি মিতুর বাবাও (মোশাররফ হোসেন) আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি। আমরাই বরং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’
দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, ‘তদন্তের খোঁজ নেওয়ার পরিবর্তে বাবুল আক্তার প্রতিনিয়ত চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য দৌড়াচ্ছেন। মামলার বিষয়ে তার কোনও তৎপরতার নেই। এ পুরো বিষয়টি স্বাভাবিকতার পর্যায়ে পড়ে না।’
মিতু হত্যায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। তদন্ত যেন সঠিকভাব হয়, সে জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
দেবদাস ভট্টাচার্যের পর নিজ কক্ষে বাংলা ট্রিবিউনের মুখোমুখি হন মিতু হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারি কমিশনার (দক্ষিণ) মো. কামরুজ্জামান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলছে বিধায় অগ্রীম কোনও কথা বলা যাবে না। মুসা ও কালুসহ অনেক আসামিকে পুলিশ খুঁজছে। মামলায় অগ্রগতি আছে। আমরা কাজ করছি।’
বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার করা হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্টতা থাকলে যে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হবে।’
বাবুল আক্তারের দেশত্যাগে কোনও নিষেধাজ্ঞা আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে গোয়েন্দা পুলিশের এই সহকারি কমিশনার জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
বাবুল আক্তারের পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পত্রিকা মারফত জেনেছি, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে উনি পদত্যাগ করেছেন।’
চলতি বছরের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিইসি মোড়ে বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা করা হয়।
/এইচকে/এআরএল/
আরও পড়ুন:
বাবুল আক্তারকে কেন গ্রেফতার করব?








