পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তায় দেশের বিভিন্ন স্থানে আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। তিনি বলেন, ‘‘এ বিষয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে ‘১৮টি আবাসিক ভবন নির্মাণ’প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’’সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট ও কুমিল্লা শহরে টাওয়ার নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। বাজেটের অর্থায়নে ঢাকা মহানগরে আটটি আবাসিক টাওয়ার ভবন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বাহিনীর আবাসন সংকট নিরসনে সব জেলায় নারী ও পুরুষ ব্যারাক সম্প্রসারণের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ’
হাজেরা খাতুনের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকার ফলে দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘জনগনের জানমালের নিরাপত্তা বিধানসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পারস্পারিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
মো. আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা মহানগরীতে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা মার্কেট, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে প্রায় অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করা থাকে। এর ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। এসব গাড়ির বিরুদ্ধে পুলিশ আইন মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। তবে এসব মার্কেট, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনে কেন গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই, সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার রাজউকের।’
সামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন জানান, ‘পুলিশ বাহিনীর মোট মঞ্জুরিকৃত জনবল ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৩১ জন। দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে পুলিশের এই জনবল যথেষ্ট নয়। বর্তমান সরকার পুলিশের ৫০ হজার জনবল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৪১টি পদ সৃজন করা হয়েছে। অবশিষ্ট পদ সৃজনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।’
প্রশ্নোত্তরের আগে বিকেল পাঁচটায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/








