স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পয়লা অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় স্যানিটেশন মাস। মাসব্যাপী দেশজুড়ে চলবে জনস্বাস্থ্যে স্যানিটেশনএর ভূমিকা প্রচার ও এ সংক্রান্ত সচেতনতা বিষয়ক নানা কর্মসূচি। স্যানিটেশন-অক্টোবর ২০১৬ নিয়ে বিশেষ বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্যানিটেশন কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস - অক্টোবর ২০১৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। আমি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় স্যানিটেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশব্যাপী জনগণের মাঝে স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করাই জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদ্যাপনের মূল উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ স্যানিটেশন কর্মসূচিতে ‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এজন্য দেশব্যাপী স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো মনোযোগী হতে হবে এবং দেশের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্যানিটেশন শুধু মৌলিক অধিকারই নয়, এর সঙ্গে জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ প্রায় সব মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত। স্যানিটেশনের গুরুত্ব অনুধাবণ করে আমাদের সরকার সকলের জন্য স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নানামুখী কর্মসূচি পালন করছে। স্যানিটেশন সুবিধা সকলের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা বাস্তবমুখী কৌশলপত্র ও নীতিমালা প্রণয়ন করেছি। আমাদের ধারাবাহিক কার্যক্রমের ফলে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি অনিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
জাতিসংঘ স্যানিটেশনকে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি, এই সামাজিক আন্দোলনকে আরো বেগবান করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, গণমাধ্যমসহ দেশের প্রতিটি নাগরিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ছবি- সংগ্রহ
/এইচকে/








