টেলিটকের কাছে সরকারের পাওনা ১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০২ অক্টোবর ২০১৬, ১৯:৩৪আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৬, ২১:২৯





টেলিটক
মোবাইল ফোন অপারেটরদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকাধীন অপারেটর টেলিটকের কাছে সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব বকেয়া রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি জানান, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে ১ হাজার ৬১০ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (সিটিসেল)-এর কাছে ৪৮৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। রবিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্ন-উত্তরে সরকার দলের সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের অনুপস্থিতিতে সংসদে প্রশ্নের উত্তর দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি আরও বলেন, টেলিটক রাষ্ট্রায়ত্ত বিধায় ওই বকেয়া ইক্যুইটি বার পেইড আপ ক্যাপিটাল হিসেবে এডজাস্ট করার এখতিয়ার সরকারের আছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন আছে।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে রেভিনিউ শেয়ারিং বাবদ ১ হাজার ১৩৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, লাইসেন্স ফি বাবদ ৪০ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং স্পেকট্রাম চার্চ বাবদ ৩২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আদায় হয়েছে।
সংসদ সদস্য এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পক্ষে প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বিদ্যুৎ অবকাঠামো খাতে বিশ্বব্যিাংক হতে চলতি একটি প্রকল্পে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমান প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করা হবে। চলতি অর্থ-বছরের শেষের দিকে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেও জানান তিনি।
আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর (সরকারি/বেসরকারি) বকেয়া আট হাজার ২৮৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে চিনি খাদ্য শিল্প করপোরেশনের কাছে পাওনা ৪ হাজার ৫৮ কোটি ৬২ লাখ ২০ লাখ টাকা এবং কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের কাছে পাওনা দুই হাজার ১০৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সাহায্যপুষ্ট ৫৪টি প্রকল্প বা উন্নয়ন প্রকল্প চালু আছে। প্রকল্পগুলোর কাজে অগাস্ট ২০১৬ পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এ প্রকল্পগুলোর অনুকূলে বিশ্বব্যাংক প্রায় ৬৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান গত ৩০ জুন ব্যাংকিং সেক্টরে মোট অলস অর্থের পরিমান ছিলো চার হাজার ১৯ কোটি টাকা।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম