দেশ থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও পাকিস্তানি ভাবধারা চিরতরে নির্মূল করতে যুব সমাজকে প্রস্তুত থাকতে হবে। জঙ্গিবাদের আদর্শ শেকড় থেকে মুছে ফেলতে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে আইন-শৃংখলাবাহিনীকে জানাতে হবে।
নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি প্রতিরোধে যুব সমাজের’ করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা ও তাকে প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন, জ্বালাও-পোড়াও ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় নৌ পরিবহনমন্ত্রীকে সংবর্ধনা প্রদান করে।
মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা কবির আহম্মেদ খান, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মোল্লা এবং মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার মোদাচ্ছের আলী।
মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম বানচাল ও উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করতে পাকিস্তান ষড়যন্ত্র করছে। পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রকে সফল করতে বিএনপি-জামাত চক্র ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালিয়েছে। তিনি বলেন, শুধু যুদ্ধাপরাধীরাই নয়; ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যারা দেশে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনা হবে।
শাজাহান খান দেশে যারা পাকিস্তানের চেতনা ধারণ করেন তাদের মাথা থেকে সে ভূত ঝেড়ে ফেলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তা করা না হলে বাংলার মানুষ তাদেরকে ক্ষমা করবে না।
পরে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন, জ্বালাও-পোড়াও ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি নৌপরিবহন মন্ত্রীকে ক্রেস্ট প্রদান করে।
/এসআই/টিএন/








