বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতীয় অঙ্গরাজ্য ত্রিপুরা থেকে আরও ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছে সরকার। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে দেশটির বিদ্যুৎ, কয়লা, নবায়নযোগ্য সম্পদ ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।বৃহস্পতিবার এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই বিবরণীতে বলা হয়, বুধবার নয়াদিল্লিতে দ্বিপক্ষয়ি বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের বিদ্যুৎ, কয়লা, নবায়নযোগ্য সম্পদ ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী পিযুষ গোয়াল।
বৈঠকে ত্রিপুরা থেকে আরো ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। বৈঠকে এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে আসাম-বাংলাদেশ-বিহারের ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিচালনা লাইন হতে বাংলাদেশে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার লিঃ কোম্পানি ভারতে প্রতিটি ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তিনটি ইউনিটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করবে। এছাড়াও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা সম্পন্ন করে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বৈঠকে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে ক্রস বর্ডার বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ফ্রেমওয়ার্ক আপডেট, আসাম থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট হতে ৫০০ মে.ওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি, ভুটান হতে বিদ্যুৎ আমদানি এবং ভুটান, ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে ত্রি-দেশীয় সভার সময় নির্ধারণ, ভারতের কোম্পানি ইইএসএল-এর সঙ্গে স্প্রেডার সমঝোতা স্মারক চুক্তি এবং ১১তম জেএসসি সভার সিদ্ধান্তগুলো পর্যালোচনা করা হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি বিষয়ে ভারতের ইতিবাচক মনোভাবের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বিদ্যুৎ সপ্তাহ-২০১৬-এ প্রতিমন্ত্রী পিযুষ গোয়ালকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে উভয় দেশের স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/টিএন/
আরও পড়ুন: চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পাচ্ছেন কে?








