প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে নজরুল ইনস্টিটিউটের নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাবিত নক্শা উপস্থাপন করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মাধবী হলে স্থপতি ইকবাল হাবিব ও ইশতিয়াক জহির পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নতুন ভবনের নানা দিক প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব আক্তারী মমতাজ, নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইমেরিটাস ড. রফিকুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম প্রমুখ।
পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, ‘পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে প্রস্তাবিত ৮তলা ভবনের নানা বৈশিষ্ট ও সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরা হয়।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন।
স্থপতি ইকবাল হাবিব জানান, ‘ধানমন্ডির পুরাতন ২৮ নম্বরের ৩৩০বি’তে বিদ্যমান পাঁচ তলা ভবনটি ৬ তলায় উন্নীত করা হবে। বিদ্যমান ভবনের পাশাপাশি আরেকটি নতুন ৮ তলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। কমপ্লেক্স ভবনের সামনে উন্মুক্ত স্থান ও মঞ্চ থাকবে। যেটি ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরের আদলে তৈরি করা হবে।’
ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর কবি নজরুল ইসলামকে ঢাকায় নিয়ে আসেন এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেন। কবির চিকিৎসার দায়িত্ব নেন।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কবির জন্মভিটা পরিদর্শনের স্মৃতিচারণ করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়ায় জাতীয় কবির বাড়িতে যান। তিনিই প্রথম কোনও সরকার প্রধান যিনি কবি নজরুলের জন্মস্থান চুরুলিয়ার বাড়িতে গিয়েছেন।
সূত্র: বাসস
/এসএনএইচ/








