আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস আজ রবিবার। প্রতি বছর ১১ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘পাহাড়ি সংস্কৃতি: বৈচিত্র্য উদযাপন ও আত্মপরিচয় জোরদার’।
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপ্রতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস পালনের মধ্য দিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের জীবন ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। পার্বত্য মানুষের টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনের মৌলিক উপাদানসমূহ নিশ্চিত হবে-এটাই সবার প্রত্যাশা। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে যে প্রতিকূল অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে জীবনমান উন্নয়নেও আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেছেন, ‘মানুষের জীবনে পাহাড় ও পর্বতের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জীবনের সঙ্গে এই পর্বত ও পার্বত্য অঞ্চলের মেলবন্ধন তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস একটি অন্যতম উপলক্ষ।
তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবীর প্রায় এক দশমাংশ মানুষ পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করেন। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন অত্যন্ত বৈচিত্র্যপূর্ণ। পর্বতমালা, নদ-নদী বহু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী এ অঞ্চলকে করেছে এমন বৈচিত্র্যময়। তাই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে এ অঞ্চলের উন্নয়ন করা একান্ত প্রয়োজন।’
পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই ভবিষ্যতকে সামনে রেখে জাতিসংঘ ২০০৩ সালে ১১ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। সেই থেকে প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে।
বাংলাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় দ্বিতীয়বারের মতো দিবসটি পালনের জন্য বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। খবর বাসস।
/এসটি/








