দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি দীর্ঘদিনের। কিন্তু কিছু সংখ্যক আমলাদের চক্রান্ত এবং অর্থমন্ত্রীর অনীহার কারণে তা থমকে আছে। এমন অভিযোগ বাংলাদেশ স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির মহাসচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন।
লিখিত বক্তব্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সরকার শতভাগ বেতন-ভাতা দিলেও ৯৮ ভাগ শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়ে গেছে। প্রায় সাত লাখ শিক্ষক-কর্মচারী সরকারের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। এটি একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয়করণের সঙ্গে সঙ্গে এ স্তরের সব শিক্ষক-কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও বৈশাখি ভাতা এবং পাঁচ শতাংশ বর্ধিত বকেয়া ভাতা প্রদান করতে হবে।
এর বাইরে সংবাদ সম্মেলনে ১৭ দফা দাবি তুলে ধরে সংগঠনটি। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে; শিক্ষা প্রশাসনকে একমুখী করার ব্যবস্থা করা, সব শিক্ষা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয়, ডিসি অফিস, শিক্ষা অফিস, ডিডি অফিসগুলোকে পৃথক পৃথক নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করতে হবে। শিক্ষানীতির অস্পষ্টতা দূর করাসহ একটি স্থায়ী শিক্ষা আইন গঠন করা। প্রতিবছর শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি না করে উল্টো বরাদ্দ কমানোর নীতি বন্ধ করা, ঘন ঘন সিলেবাস পরিবর্তন না করে একটি আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত সিলেবাস তৈরি করা। শিক্ষার মানোন্নয়নে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া।
/আরএআর/এমপি/








