প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে নিরাপত্তা ঘাটতি ছিল বলে অভিযোগ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘যে তদন্ত রিপোর্ট এসেছে, সেখানে নিরাপত্তা ঘাটতি নিশ্চই ছিল। না হলে নাট-বোল্ট কী করে ঢিলা হয়? ’ বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন তিনি অভিযোগ করেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপত্তা ঘাটতির সুযোগ নিয়েই নাট-বোল্ট ঢিলা করা হয়েছে। এটাও যে একটা ষড়যন্ত্র নয়, তা তো আমরা বলতে পারি না। কাজেই ষড়যন্ত্র চলছে।’
বিমানের এই ঘটনার দায় সংশ্লিষ্টমন্ত্রী এড়াতে পারে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘মামলা যখন হয়েছে, তখন এটা বিচারাধীন বিষয়। মনুষ্যসৃষ্টির বিষয়টি কোর্ট দেখবেন। বিমানমন্ত্রী দায় নেবেন কি নেবেন না, এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। আমরা ষড়যন্ত্রের আভাস পাচ্ছি। বিমানমন্ত্রীর বিষয়ে মন্তব্য করার এখতিয়ার আমার নেই।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘উন্নয়ন-অর্জনে আমাদের যে অগ্রযাত্রা, সেটাকে ব্যাহত করা যাবে না। শেখ হাসিনার কাজের যে গতি, তার যে বিস্ময়কর সাফল্য, এই গতিকে আঘাত করে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করে তা সফল হচ্ছে না। তারা মনে করেছে, যার কারণে বাংলাদেশের সাফল্য ও সারা দুনিয়ার দৃষ্টি আজ বাংলাদেশে, যার কারণে আজকে বাংলাদেশের এই সাফল্য, যিনি আমাদের সেন্ট্রিফিউগাল ফোর্স শেখ হাসিনা, তাকেই তারা শেষ করতে চায়। সঙ্গত কারণেই আমরা ভাবছি বিভিন্ন কারণেই আজকে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে আমাদের নেত্রীকে ফিজিক্যালি আক্রমণ করার চেষ্টা চলছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানক, আব্দুর রহমান, আহমদ হোসেন, একেএম এনামুল হক শামীম, ফরিদুন্নাহার লাইলী, আবদুস সোবহান গোলাপ, আফজাল হোসেন, আব্দুস সবুর, অসীম কুমার উকিল, সুজিত রায় নন্দী, দেলোয়ার হোসেন, বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম রব্বানী চিনু, এবিএম রিয়াজুল কবির কাউসার, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/








