নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশের হয়রানির অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক, ভোটারসহ সাধারণ জনগণ। পথে পথে তল্লাশি ও নিরাপত্তার নামে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।
সাংবাদিকরা অভিযোগ করছেন, ভোট কেন্দ্রে যেতে চাইলে তাদের সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। মহাসড়কে বড় বড় যানবাহনসহ রিকশাও চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ জনগণ।
সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে যেতে চাইলে পুলিশ কয়েকজন সাংবাদিককে বাধা দেয়। কিছুক্ষণ তাদের মোটরসাইকেল আটকে রাখে। নির্বাচন কমিশনের স্টিকার ও কার্ড দেখানোর পরও পুলিশ তা মানতে চায়নি।
এছাড়া যেসব কেন্দ্র ও কেন্দ্রের আশপাশে পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে সেখানে সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ প্রসঙ্গে এএসপি বিনয় সাহাকে ফোন করলে তিনি বলেন, ‘এখানে দুই চাকার কোনও যানবাহন চলাচলের অনুমতি নেই। আমরা অনুমতি ছাড়া কাউকে কেন্দ্রে ঢুকতে দিতে পারবো না।’
পাঠানটুলি কেন্দ্রের কাছে দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের নির্বাচন কমিশনের কার্ড দেখানো হলেও তারা তা দেখতে রাজি হননি বলে জানিয়েছেন বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদক। দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার পর তারা সাংবাদিকদের কেন্দ্র থেকে চলে যেতে বলেন।
এদিকে শুধু সাংবাদিকদেরই নয়, বয়স্ক ভোটারদেরও কেন্দ্রে যাওয়ার পথে পুলিশের বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিদ্ধিরগঞ্জের ৮নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র হোলি উইলস-এ ভোট দিতে যাচ্ছিলেন মাজেদা নামে এক বৃদ্ধা। নিজের বয়স প্রায় ১০০ বছর বলে দাবি করেন তিনি। বাড়ি সৈয়দপাড়ায়। তিনি ভোট দিতে যেতে চাইলে পুলিশ তাকে বাধা দেয়। পরে কিছুক্ষণ আটকে রেখে তাকে কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়।
এদিকে মহাসড়কে বড় যানবাহন ও রিকশা চলাচল করতে না দেওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। চিকিৎসা ছাড়াও বিভিন্ন প্রয়োজনে কোথাও যেতে না পেরে তারা বিপাকে পড়েছেন।
/জেইউ/পিএইচসি/এআর/এফএস/








