আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে নতুন নতুন পণ্যের উদ্ভাবন ও বিস্তার ঘটাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পণ্য রফতানি করছি। গতানুগতিক কিছু পণ্যের ওপর নির্ভর না করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের বহুমুখীকরণ করতে হবে। সে অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও রফতানি করতে হবে।’ রবিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০১৭ উদ্বোধন ও জাতীয় রফতানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোন দেশ জিএসপি দিলো না, তার পেছনে না থেকে অন্য দেশ খুঁজে বেড়ান। অন্য মার্কেট খোঁজেন। ওরাই আমাদের পেছনে ছুটবে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অনেক যোগ্য, তারা মেধাবী। একটু সুযোগ সৃষ্টি করলে যেকোনও কিছু তারা করতে পারে। সেই সক্ষমতা বাংলাদেশের মানুষের আছে। বাংলাদেশ যত দ্রুত পণ্য দিতে পারবে, পৃথিবীর কোনও দেশ তা পারবে না।’
প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ঘোষণা করার পর ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয় রফতানি ট্রফি প্রদান করেন। স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ; এই তিন ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে রফতানি ট্রফি দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে ট্রফি তুলে দেন।
এবারও পণ্য খাত নির্বিশেষে সর্বোচ্চ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় রফতানি ট্রফি স্বর্ণপদক পেয়েছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড।
নির্ধারিত ৩২টি পণ্য ও সেবা ক্যাটাগরির ১৯২টি আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৯টি স্বর্ণ ট্রফি, রৌপ্য ট্রফি ২২টি এবং ১৫টি ব্রোঞ্জ ট্রফি লাভ করেছে।
পরে প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য মেলার কয়েকটি স্টল ঘুরে দেখেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী, সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ প্রমুখ।
/পিএইচসি/এসএনএইচ/এসটি/এমএনএইচ/








