রাজধানীর উত্তরা ও কলাবাগান এলাকা থেকে গ্রেফতার লাইফ স্কুলের দুই শিক্ষকসহ নব্য জেএমবির ১০ সদস্যের মধ্যে সাতজনকে পৃথমভাবে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম তাউসিফ আল আজিম এর আদালত এই সাত নব্য জেএমবিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন মঞ্জুর করেন।
ঢাকা মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিমান্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, আল মিজানুর রশিদ (৪১) ও মুফতি আবদুর রহমান বিন আতাউল্লাহ (৩৭)। এই দুজনের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অপর পাঁচজন হলেন, শরিফুল ইসলাম (৪৬),শাহরিয়ার ওয়াজেদ খান (৩৬), মো. জিয়াউর রহমান (৩১), মিজানুর রহমান (৪৩) ও মো. কৌশিক আদনান সুবহান (৩৭)। তাদের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম শরীফ লাইফ স্কুলের সাবেক অধ্যক্ষ ও শাহরিয়ার বর্তমান অধ্যক্ষ। মিজানুর রহমান শরিফুলের ভাগ্নে। সে-ও এই স্কুলের সঙ্গে জড়িত ছিল। উল্লেখ্য, উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর সড়কের ৫ নম্বর বাড়িতে লাইফ স্কুল অবস্থিত। ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকে বাড়িওয়ালা মৃত ড. মো. গোলাম আলী ফকিরের পরিবার। বাকি ভবনের পুরোটাই ব্যবহার করে লাইফ স্কুল।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র্যাব-৪ এর জেষ্ঠ্য সহকারী পুলিশ সুপার উনু মং এই সাত আসামিকে চারদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুনরায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এ সময় আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।
আজ আদালত শুনানি শেষে দুজনকে তিনদিন আর বাকি ৫ আসামিকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে।
এর আগে গতকাল শনিবার এই মামলার অপর দুই আসামি আবু সাদাত মো. সুলতান আল রাজি ওরফে লিটন (৪১) ও মো. মেরাজুল ইসলাম মেরাজ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।
/এসআইটি/এমডিপি/








