বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চার ইন্টার্ন চিকিৎসককে দেওয়া শাস্তি প্রত্যাহারের জন্য ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংগঠন ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদ (ইচিপ)। রবিবার (৫ মার্চ) বিকাল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে শজিমেকের ঘটনায় চার ইন্টার্ন চিকিৎসককে দেওয়া শাস্তি অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান ইচিপ নেতারা। অন্যথায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে কর্মবিরতিসহ আরও কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেন তারা। ইচিপ সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান এ সময় শজিমেকের চার ইন্টার্ন চিকিৎসকের শাস্তি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের জন্য সময় বেঁধে দেন।
মানববন্ধন শেষে আতিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শজিমেক হাসপাতালে চার ইন্টার্ন চিকিৎসককে শাস্তি দেওয়ার প্রতিবাদে আজ আমরা মানববন্ধন করেছি। আমাদের পক্ষ থেকে কর্তৃপক্ষকে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে যদি তাদের শাস্তির নির্দেশ প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে আমরা কর্মবিরতিসহ আরও কঠোর আন্দোলনে যাবো।’
মানববন্ধনে অংশ নেন ইচিপ সভাপতি ডা. তাসনিম, সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ডা. তোফাজ্জল হক চয়নসহ ঢামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে শজিমেকের মেডিসিন বিভাগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মারধরে রোগী আলাউদ্দিন সরকারের ছেলে পাশা গুরুতর আহত হন। তার ভাই মাসুম এবং দুই বোন বীনা আর সেতুকেও লাঞ্ছিত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এরপর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। দোষীদের ইন্টার্নশিপ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করাসহ বদলির নির্দেশ দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।
/এআইবি/টিআর/জেএইচ/








