পদ্মা সেতু দুর্নীতিতে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের অগ্রগতি জানতে চেয়ে আগামী ৯ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার এ নিয়ে এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে রাষ্ট্রপক্ষে প্রতিবেদন দাখিলে সময় চেয়ে আবেদন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
দুর্নীতির অভিযোগে ২০১১ সালে পদ্মা সেতুর কাজ বন্ধ করে দেয় এর প্রধান অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাংক। তাদের অনুরোধে কানাডার পুলিশ সে দেশের দুই নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসএনজি ও লাভালিন ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। ২০১২ সালে কানাডার আদালতে এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ২০১৩ সালে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজে দুর্নীতির ঘটনায় এসএনসিকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ায়।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির মামলাকে ‘অনুমানভিত্তিক’ ও ‘গুজব’ বলে উল্লেখ করেছেন কানাডার একটি আদালত। একই সঙ্গে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাংকের কোনও উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত কানাডীয় প্রতিষ্ঠান এসএনসি’কেও ‘নির্দোষ’ বলে রায়ে উল্লেখ করেন মামলাটির বিচারক ইয়ান নরডেইমার।
/ইউআই/এসটি/








