আজ থেকে সারাদেশে এইচএসটি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা উপলক্ষে কেন্দ্রগুলো নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করানোর সময় তাদের কাছে কোনও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস আছে কিনা তার পরীক্ষা করে দেখা হয়। পরীক্ষার্থীদের লাইন ধরে কেন্দ্রগুলো ঢোকানো হয়। এছাড়া সেখানে আর্চওয়ে বসানো ছিল। এমই দৃশ্য দেখা গেছে রাজধানীর ঢাকা কলেজ কেন্দ্রে।
সারাদেশের প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। সকাল ১০টায় এইচএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র, সহজ বাংলা প্রথম পত্র, বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রথম পত্র এবং বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্রের (ডিআইবিএস) পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে শিক্ষার্থীরা আলিমে কুরআন মাজিদ এবং এইচএসসি ভোকেশনালে বাংলা-২ সৃজনশীল (নতুন/পুরতান সিলেবাস) ও বাংলা-১ সৃজনশীল (নতুন/পুরতান সিলেবাস) বিষয়ের পরীক্ষা দিচ্ছেন। এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় দ্বাদশ শ্রেণিতে বাংলা-২ (নতুন সিলেবাস) ও বাংলা-২ (পুরাতন সিলেবাস) এবং একাদশে বাংলা-১ (সৃজনশীল নতুন সিলেবাস) ও বাংলা-১ (সৃজনশীল পুরাতন সিলেবাস) পরীক্ষা চলছে।
কারিগরি বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা-ইন কমার্সে দ্বাদশ শ্রেণিতে বাংলা-২ এবং একাদশে বাংলা-১ (সৃজনশীল) বিষয়ের পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সকালে ঢাকা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সংশয়ের মধ্য দিয়ে শিক্ষা সংক্রান্ত্র আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গত দুই মাসে দুজন অধ্যক্ষ, তিনজন শিক্ষকসহ মোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম।
তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে প্রশ্নফাঁসের একটি গ্রুপে ২৫ হাজার সদস্য রয়েছে। একটিতে ৯ হাজার ও আরেকটিতে ১৬ হাজার সদস্যের মধ্যে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ও ছাত্রও রয়েছেন।’ এদের দু-একদিনের মধ্যে গ্রেফতার করার আশ্বাসও দেন পুলিশের এই উপ-কমিশনার।
তবে শনিবার পরীক্ষার আগের দিন সন্ধ্যা পর্যন্তও ফেসবুক গ্রুপে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। ওইদিন অবশ্য গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার বৈঠকে জানিয়েছিলেন, পরীক্ষাকে সামনে রেখে ফেসবুক গ্রুপসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় অবজার্ভেশন চলছে।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম
/এসএমএস/এসটি/








