রাজধানীর গণপরিবনে সিটিং সার্ভিস বন্ধে মালিকদের নেওয়া সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘সিটিং সার্ভিট করা হয়েছে শুধু অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের জন্য। মালিকরাই এটা করেছিল এখন মালিকরাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশাকরি এটা কার্যকর হবে।’
বুধবার সকালে মানিকমিয়া এভিনিউতে বিআরটিএ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে মোটরজান আইন যগোপযোগী করা হচ্ছে। এটা মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েয়েছ। সবার মতামত নিয়ে আইনটি জাতীয় সংসদে চূড়ান্ত করা হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবো তিনি বলেন, ‘মোটরযান আইনে শুধু চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আগামীতে যাতে চালকদের পাশাপাশি মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় নতুন আইনে তা সংযোজন করা হবে।’
এদিকে, সকাল সাড়ে ১০টায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। আদালত পরিচালনা করছেন বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছাম্মদ জোহরা খাতুন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘এখন পর্যন্ত ১৩টি মামলা হয়েছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় ৪ জন চালককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গাড়ির কাগজপত্র সঠিক না থাকায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদাল করা হয়েছে। এছাড়া দুটি বাস আটক করে ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণপরিবহনে পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। আগে শুধু আর্থিক জরিমানা করা হতো। অর্থের পরিমান কম থাকায় জরিমানা দিয়ে সবাই পার পেয়ে যেতো সবাই। বর্তমানে জরিমানা ও কারাদণ্ড উভয় শাস্তির ব্যবহার করা হয়েছে। এ জন্য পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
/ওএম/এসএনএইচ/








