স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুংগং ও পার্লামেন্টস ফর নিউক্লিয়ার নন-প্রোলিফারেশন অ্যান্ড ডিস-আর্মামেন্টের (পিএনএনডি) প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সংসদ ভবনস্থ স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আইপিইউ’র ১৩৬তম সম্মেলন সফল আয়োজন ও পারমাণবিক অস্ত্রবিস্তার নিরোধ ও নিরস্ত্রীকরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, ‘আইপিইউ সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করতে পেরে বাংলাদেশ গর্বিত। এ সম্মেলনের বড় প্রাপ্তি হচ্ছে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের সম্মেলন আয়োজন করার সামর্থ্য যে বাংলাদেশের আছে, বিশ্ব পরিমণ্ডলে তা অবগত করা।’ তিনি বলেন, ‘সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ ও স্বাধীন কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করাসহ বেশ কয়েকটি প্রস্তবনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বকে সুরক্ষা দানে ভূমিকা রাখবে।’
শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘ঢাকা ঘোষণায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৈষম্য কমানো, মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনি কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করার মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা আইপিইউ-এর কার্যক্রমকে সব দেশের মানুষের কল্যাণে আরও গতিশীল করবে।’ তিনি বলেন, ‘আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আইপিইউ সম্মেলন আয়োজনের এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ আরও সফলভাবে সিপিএ সম্মেলন আয়োজনে সক্ষম হবে।
সাক্ষাৎকালে পিএনএনডির প্রতিনিধি দলের প্রধান মনি শংকর আয়ার বলেন, ‘পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব বিনির্মাণে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ এ জন্য তিনি বিশ্বের সব দেশের সহযোগিতা কামনা করেন।
নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন বলেন, ‘বাংলাদেশ অস্ত্র প্রতিযোগিতায় বিশ্বাস করে না, জনগণের কল্যাণে বিশ্বাস করে। রাজনৈতিক অঙ্গীকার অর্থনৈতিক ভিতকে শক্তিশালী করতে পারে। বাংলাদেশ সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিবাচক কর্মসূচিসহ বিশ্বের সব দেশের সংসদগুলো সোচ্চার হলে শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব। আর তখনই পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ কর্মসূচি সফল হবে।’
অন্যান্যের মধ্যে ব্রিটেন, জাপান, ভুটান ও নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিরা এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক, হুইপ ইকবালুর রহিম, মইন উদ্দীন খান বাদল, ডা. দীপু মনি, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, কাজী নাবিল আহমেদ, মো. ফখরুল ইমাম সাবিনা আক্তার তুহিন, মাহজাবিন খালেদ, ওয়াসিকা আয়েশা খান ও মাহজাবিন মোর্শেদ অংশ নেন।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/








