আজ ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। ‘আসুন, বিষণ্নতা নিয়ে কথা বলি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে কাজ করে এমন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো দিবস পালনে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘স্বাস্থ্য মানুষের অমূল্য সম্পদ। অর্থ, বিত্ত, বৈভব নয়; শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তিই প্রকৃত সুখী। জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধি, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নসহ ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ফলে জনগণের গড় আয়ু বেড়েছে। এ সাফল্য ধরে রাখতে প্রতিটি মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার গুরুত্ব অপরিসীম।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণ মানসিক রোগ বিশেষ করে বিষণ্নতাজনিত মানসিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতন হবে এবং এর প্রতিকার ও প্রতিরোধে উদ্বুদ্ধ হবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মানসিক রোগে আক্রান্তদের যথাযথ সেবার মাধ্যমে সুস্থ করে সমাজের সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাহলে তারা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।’
এ বছর দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সেমিনার আয়োজন, স্যুভেনির প্রকাশ, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদর্শনী, জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, সড়কদ্বীপ সজ্জিতকরণ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, জারীগান, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে বিষণ্নতাজনিত স্বাস্থ্য সমস্যার ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কার্যক্রম। দেশের সব জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্বাবধানে স্থানীয় পর্যায়েও বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।
১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়। একই বছরের জুন ও জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়, ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এই সংগঠন আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। এইদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস বলে নির্ধারিত হয়। প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। সেদিন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয় এ দিবসটি। সূত্র: বাসস।
/এফএস/
আরও পড়ুন-








