সিলেটের সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালতে বলেছেন, তারা (দণ্ডপ্রাপ্ত হত্যাকারীরা) রাজনকে পশুর মতো হত্যা করেছে। রাজন হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পাশবিকতা ফুটে উঠেছে।
মঙ্গলবার রায় ঘোষণাকালে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ কথা বলেন।
রায় ঘোষণার আগে ও পরে আদালত বেশকিছু পযবেক্ষণ ও পরামর্শ দেন। একটি ঘটনায় কিভাবে দেখতে বা এগিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরাও অনেকক্ষেত্রে ‘ভিক্টিমাইজ’ হন সে নিয়েও কথা বলেন আদালত।
সৌদি প্রবাসী কামরুল ইসলামসহ চার আসামিকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ফাঁসির রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বাকি ছয় আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত রায় ঘোষণাকালে বলেন, ‘কখনও সিচুয়েশন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে নেই। এসব পরিস্থিতিকে সচেতনতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হয়।’
আদালত বলেন, ‘আমাদের সবাইকে এবং সেই সঙ্গে সরকারকে এ ধরনের পরিস্থিতিতে মোকাবিলায় সচেষ্ট থাকতে হবে।’
২০১৫ সালের ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগ তুলে ১৩ বছরের শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মামলার মূল আসামি কামরুল ইসলাম ওই হত্যাকাণ্ডের দুই দিনের মাথায় পালিয়ে সৌদি আরবে চলে যান। পরে ভিডিও দেখে প্রবাসীদের সহযোগিতায় তাকে আটক করে সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
/এমটি/ইউআই/এসটি/
আরও পড়ুন:
ভিডিও ধারণকারীর সাজা যাবজ্জীবন থেকে কমে ৬ মাস!
ফাঁসি বহাল থাকায় সন্তুষ্ট রাজনের বাবা
রাজন হত্যা: কামরুলসহ চারজনের ফাঁসির রায় হাইকোর্টেও বহাল








