আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি ও খালেদা জিয়া ধর্ম ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বিশ্বস্ত পৃষ্ঠপোষক। ইতিহাস সেটারই প্রমাণ দেয়।’ শনিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
হেফাজত ইসলামের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনও চুক্তি কিংবা জোট হয়নি দাবি করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতির সঙ্গে হেফাজতের স্বীকৃতিকে গুলিয়ে ফেলছেন। এটা ঠিক নয়। স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ হলো, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল অবকাঠামোর মধ্যে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসা। কওমি স্বীকৃতির পর আল্লামা শফি হুজুর গত শুক্রবার এক জনসভায় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে তার অবস্থান নেওয়াটা লাভ নয় কি?’
একই প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসার প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পরও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যে থাকে। তাই আমরা কওমি স্বীকৃতি দিয়েছি। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকায়ন এবং নিয়মশৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা হবে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মতে, প্রগতির যে পথ সেটাই হচ্ছে বাস্তবতা। আর বাস্তবতাই হচ্ছে প্রগতিশীলতা। বাস্তবতাকে বাদ দিয়ে কেউ প্রগতিশীল হতে পারে না। সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক শামীম, আমিনুল ইসলাম, আবদুস সোবহান গোলাম, বিপ্লব বড়ুয়াসহ অন্য নেতারা।
এর আগে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে সেতুমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় খ্রিস্টান সম্প্রদায় ‘ইস্টার সানডে’ সরকারি ছুটির দিন ঘোষণার দাবি জানিয়েছে। এছাড়া মন্ত্রিসভায় নিজেদের অংশীদারিত্ব, যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি চাকরির সুযোগ-সুবিধাসহ বেশকিছু দাবি তোলেন তারা। এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবো।’
/পিএইচসি/জেএইচ/








