সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব রক্ষা ও গণতন্ত্রের স্বার্থে একজন উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টির দাবি উঠেছে। সংখ্যালঘুদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে একটি সুরক্ষা আইন পাশ এবং সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন করারও দাবি এসেছে। শুক্রবার (১২ মে) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তোলে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ।
সংগঠনের সভাপতি দীপংকর শিকদার বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে ও পরে দেশে হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিল ৪০ ভাগ। এখন তা নেমে এসেছে ৮ ভাগে। ভয়ভীতি এবং বিভিন্ন লোমহর্ষক অত্যাচারের কারণে প্রতিদিন হিন্দু পরিবার দেশত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু আমরা দেশত্যাগ করতে চাই না। আমাদের নিরাপত্তা নিশিচত করুন। উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টি, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন, সুরক্ষা আইন পাশসহ আমাদের দেওয়া পাঁচ দফা দাবি মেনে নিন।’
পাঁচ দফা দাবির মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণে ৬০টি সংরক্ষিত আসনও চাওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি চাকরিতে ২০ ভাগ কোটা চেয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ। প্রত্যেক মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিন্দু ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করারও দাবি সংগঠনটির।
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের পাঁচ দফা দাবির বিবরণ দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিত্র। তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে— বেদখল সব দেবোত্তর সম্পত্তি স্ব স্ব মঠমন্দিরে হস্তান্তর করা এবং শারদীয় দুর্গাপূজায় তিন দিনের সরকারি ছুটি ও সব বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক সরস্বতী পূজা চালু করা।
বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের অনুষ্ঠানে ছিলেন তাঁতি লিগের কার্যকরী সভাপতি সাধনা দাসগুপ্ত, সংগঠনের সহ-সভাপতি দিলীপ দাস দেওয়ান, ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি মনীষ বালা, সাংগঠনিক সম্পাদক মনীষ দাশগুপ্ত, বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুফল সরকার, ঢাকা জেলা সভাপতি শ্যামল রায় প্রমুখ।
/সিএ/জেএইচ/







