দেশে চালের দাম যত বেশি বাড়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তত খুশি হন বলে মন্তব্য করেছেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন কথা বলেন আওয়ামী লীগের এই সাংগঠনিক সম্পাদক।
খালেদা জিয়া চালের দাম নিয়ে মিথ্যাচার করছেন অভিযোগ তুলে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিদিন ইফতারকে সামনে রেখে মিথ্যাচার করে চালের দাম ১০ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাজারে যেদিন চালের দাম ৪০ টাকা, সেদিন খালেদা জিয়া বললেন ৫০ টাকা, এর পরদিন বললেন ৬০ টাকা এবং তার পরদিন বললেন ৭০ টাকা। বর্তমানে চালের দাম যে ঊর্ধ্বমুখী, তিনি চান এটা যেন আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়। চালের দাম যত বেশি বাড়ে, মনে হয় তিনি তত বেশি খুশি হন। বিএনপি চেয়ারপারসন বাংলাদেশের মানুষকে দুরবস্থার মধ্যে রাখতে চান। দেশে কেন খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষ হয় না, এ দুঃখে তিনি কষ্ট পান!’
চালের দাম প্রসঙ্গে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, ‘চাল সংকট নিয়ে সারাদেশে একটি আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এখনও শুনিনি দেশের কোনও মানুষ খাদ্য সংকটে আছে, কেউ না খেয়ে মারা গেছে। অথচ চারদিকে একটা আওয়াজ তৈরি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ খাদ্য সংকটে পড়ে যাচ্ছে। মানুষ না খেয়ে মারা যাবে!’
দেশের অর্থনীতি দুর্বল হলে কিংবা খাদ্য সংকট দেখা দিলে বন্যা ও ঘুর্ণিঝড়ে দুর্গত মানুষদের বিনামূল্যে সরকার চাল দিতে পারতো না বলে জানিয়েছেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। যারা সমালোচনা করছেন তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার জন্য, বাজেট যাতে বাস্তবায়িত না হয় সেজন্য করছে। ৪ লাখ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে বাংলাদেশ যে ইতিহাস গড়ার পথে নেমেছে তা অনেকের পছন্দ নয়। তবে সমালোকদের বলতে চাই, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাজেট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সমালোচকদের উচিত জবাব দেওয়া হবে।’
আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ছিল। এখনও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সাম্প্রদায়িকতার মধ্য দিয়ে বিভক্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা এখনও বজায় রয়েছে।’
/ইএইচএস/জেএইচ/








