ঘুষ ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে সচিবদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী ১৩টি নির্দেশনা দিয়েছেন। রবিবার সকাল ১০টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে সচিব কমিটির সঙ্গে মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। মিটিং শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) এমএন জিয়াউল আলম সাংবাদিকদের এসব নির্দেশনার কথা জানান।
সচিবদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনাগুলো হলো- ১. ঘুষ ও দুর্নীতি কমাতে হবে। ২. বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার বাড়াতে হবে। ৩. আমদানি রফতানির কাজ সহজ করতে দেশের সব নৌ ও স্থল বন্দর ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখতে হবে। ৪. জেলায় জেলায় ত্রাণ তৎপরতা বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে প্রতি জেলায় চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহে রাখতে হবে। ৫. স্থানীয়ভাবে প্রকল্প নিতে হবে। ৬. যত্রতত্র শিল্প কারখানা না করে সরকার কর্তৃক শিল্পাঞ্চলে করতে হবে। ৭. এসডিজি অর্জনে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ৮. কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে মান সম্মত প্রশিক্ষণ দিতে হবে। ৯. অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে মনোযোগী হতে হবে। ১০. জঙ্গিবাদ ও মাদকবিরোধী তৎপরতা বাড়াতে হবে। ১১. নতুন বাজেট বাস্তবায়নে প্রথম তিন মাসের মধ্যে সব পেপার তৈরি করতে হবে। ১২. নতুন ভবন তৈরির ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানি ধরার ব্যবস্থা রাখতে হবে। ১৩. নতুন রাস্তা নির্মাণে রাস্তার পাশে জলাধার রাখতে হবে।
সচিব কমিটির মিটিংয়ে ৭১ জন সচিব অংশ নেন। যাদের মধ্যে ১৬ জন সচিব মটিংয়ে তাদের মতামত দেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) এমএন জিয়াউল আলম বলেন, ‘ফৌজদারি আদালতের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মামলার জট কমাতে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’
মিটিংয়ের শুরুতে সচিবদের উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পে-স্কেলে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন যেহারে বেড়েছে, তা বিশ্বে বিরল। তাই জনগণ যেন সেবা পায় সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। বেতন যেহেতু বেড়েছে তাই ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।’
উল্লেখ্য, সরকারের বর্তমান মেয়াদের শুরুতে ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল প্রথম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
/এসআই/এসএনএইচ/








