প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের শুরু থেকে এলএনজি গ্যাসের ব্যবহার শুরু হবে বলে আশা করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) ও এক্সসেলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেডের (ইইবিএল) সঙ্গে এক আর্থিক চুক্তি স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠানে এ কথা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজি ও এলএনজি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, দেশে ২০১৮ সালের প্রথম দিক থেকে এলএনজির ব্যবহার শুরু করা সম্ভব হবে।’
প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম। কক্সবাজারের মহেশখালীতে এনএলজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের গ্যাসের চাহিদা পূরণে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘সারাদেশের মানুষের জন্য এই প্রকল্প সুফল বয়ে আনবে। এটি বাস্তবায়ন করা হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই।’
মহেশখালী ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন উপলক্ষে এই চুক্তি হয়েছে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ প্রকল্পের মোট খরচ হবে ১৭৯ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার ইক্যুইটি ৫৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার এবং ঋণ ১২৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়া আইএফসি ৩২ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে।
চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমুদ্দিন চৌধুরী, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনশুর, আইএফসি’র প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টমেন্ট অফিসার কামাল দোরাবাইলা, ইইবিএলের চিফ ফিন্যান্স অফিসার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিক বেডফোর্ট, আইএফসি’র বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার উইন্ডি ওয়ার্নার।
/আরএআর/জেএইচ/এমএনএইচ/








