ফেসবুকে সহকর্মীদের সম্পর্কে বাজে মন্তব্যের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, আরও দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ তদন্তে দুটি কমিটি করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ জুলাই) ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো ওই শিক্ষক হলেন অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী। তাকে এর আগে ২০১২ সালে এক ছাত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। পরে তাকে ক্লাসে ফিরে আসার সুযোগ দিয়েছিল প্রশাসন।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, 'রুশাদ ফরিদীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১ জন শিক্ষক অভিযোগ দিয়েছেন। তারা বলেছেন, তার (রুশাদ ফরিদী) সঙ্গে তারা কাজ করবেন না। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে ওই শিক্ষককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।'
এদিকে, বুধবারের ওই সিন্ডিকেট সভায় হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টে (হেকেপ) দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দুদক যে চিঠি দিয়েছিল, তা আমলে নিয়ে ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।
এছাড়া, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক বিল্লাল হোসাইনের পিএইচডি শেষ না হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখতে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন একজন সিন্ডিকেট সদস্য। বিল্লাল হোসাইন ২০১২ সালে পিএইচডির থিসিস জমা দেওয়ার কথা বললেও এখনও সে কাজ শেষ করেননি। এ কারণে তার বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান ওই সিন্ডিকেট সদস্য।
/এএম








